Wednesday, November 29, 2017

এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল | ভূমিকা (HTML Tutorial in Bangla | Introduction)

  • এইচটিএমএল (HTML) এর অর্থ হচ্ছে HyperText Markup Language. এটা কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়, মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ।
  • ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে এই ল্যাংগুয়েজ টি সবার আগে ভালভাবে শিখতে হবে।তবে এটা শেখা খুব সহজ।
  • এটা শিখলেই আপনি একটা ওয়েব পেজ তৈরী করতে পারবেন। এরপর যদি সিএসএস শেখেন তাহলে ঐ পেজটিতে আরেকটু প্রান দিতে পারবেন
  • তারপর জাভাস্ক্রিপ্টের পালা, জাভাস্ক্রিপ্ট শিখে এর এপ্লিকেশন করলে আপনার ঐ ওয়েব পেজটি ডাইনামিক হওয়া শূরু হল। সবশেষে পিএইচপি + ডেটাবেস শিখলে আপনি পূর্নাঙ্গ ডেটাবেস Driven ওয়েবসাইট  তৈরী করতে পারবেন।

যে জিনিস লাগবে এইচটিএমএল শিখতে (অর্থ্যাৎ এইচটিএমএল কোড কোথায় লিখবেন)

নোটপ্যাড। Notepad open করে তৈরী হোন। যেহেতু নতুন তাই নোটপ্যাড দিয়েই শুরু করুন পরে অন্য কোন এডভান্সড এডিটরে সুইচ করবেন যেমন Netbeans বা Dreamweaver. আর যদি ড্রিমওয়েভার এ কাজের অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে তাহলে এখনই শুরু করতে পারেন। উইন্ডোজে বাই ডিফল্ট যে নোটপ্যাড টি থাকে সেটা দিয়ে কোড করে কোন মজা বা সুবিধা কিছুই পাবেননা। তবে এরকমই একটা হালকা নোটপ্যাড আছে নাম "Notepad++" এখানে প্রচুর সুবিধা পাবেন এবং এটা প্রফেশনাল কোড লেখার জন্য নি:সন্দেহে ব্যবহার করতে পারেন। এই যে ডাউনলোড লিংক
এইচটিএমএল শিখতে যে শব্দগুলি ভালভাবে জানা দরকার-
এ শব্দগুলি সবসময় আসবে এবং এগুলির পরিষ্কার ধারনা থাকতে হবে।
HTML, XHTML এবং HTML5
HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML5। এইচটিএমএল ৫ এ এক্সএইচটিএমএল সকল নিয়ম অনুসরন করা হয়। কাজেই HTML 5 শিখলেই আগের ভার্সনগুলি অটোমেটিক শেখা হয়ে যাবে। তাই আমরাও ঐভাবে টিউটোরিয়ালগুলি দেব।
* W3C নামের এই সংস্থাটি HTML তৈরী এবং ম্যানেজমেন্ট করে।
* HTML 5 মুলত HTML ই তবে এখানে নতুন নতুন অনেক ট্যাগ এবং নিয়ম যুক্ত হয়েছে যেগুলির বর্ননা আমরা পরবর্তী টিউটোরিয়ালগুলিতে প্রয়োজন অনুসারে দিয়ে দেব।

নিচে একটা সাধারন এইচটিএমএল ডকুমেন্ট দেয়া হল এবং এর প্রতিটি অংশের বিস্তারিত বর্ননা করা হচ্ছে
01.<!DOCTYPE html>
02.<html>
03.<head>
04.<!--- JS/CSS file is to be added here -->
05. 
06.</head>
07.<body>
08. 
09.<h1>Webcoachbd demo heading</h1>
10. 
11.<p>demo content goes here.</p>
12. 
13.</body>
14.</html>
প্রথম লাইনটি <!DOCTYPE html> হচ্ছে ডকুমেন্টটি কি ধরনের তা বোঝানোর (ব্রাউজারকে) জন্য দেয়া হয়। এইচটিএমএল এর কোন ভার্সন ব্যবহার করবেন সেটার উপর ভিত্তি করেই এই ডিক্লেয়ারেশন টি দেয়া হয়। যেমন উপরের ডকুমেন্ট টি এইচটিএমএল ৫ এর একটি ডকুমেন্ট । এরুপ যদি এটা XHTML এর ১.০ ভার্সন হতো তাহলে ডিক্লেয়ারেশনটি দিতে হতো এভাবে
1.<!DOCTYPE html PUBLIC "-//W3C//DTD XHTML 1.0 Transitional//EN"
2."http://www.w3.org/TR/xhtml1/DTD/xhtml1-transitional.dtd">
এটা হচ্ছে ট্রানজিশনাল অর্থ্যাৎ এইচটিএমএল এর সকল কিছু এই্ ডকুমেন্টে লেখা যাবে সাথে সাথে deprecated এলিমেন্টগুলিও ব্যবহার করা যাবে যেমন font। ফ্রেমসেট ব্যবহার করা যাবেনা।
যাইহোক এভাবে "xhtml1-transitional.dtd" এর জায়গায় "xhtml1-strict.dtd" দিলে deprecated এলিমেন্টগুলি ব্যবহার করা যাবেনা।

** এখন HTML5 আসার পর এগুলি আর সাধারনত ব্যবহার করেনা। HTML 5 এর ডিক্লেয়ারেশন দেয়া হয়।
1.<!DOCTYPE html>


যাইহোক এটা খুব গুরত্বপূর্ন কিছু নয়। কপি করে (X)HTML ডকুমেন্ট লেখার শুরুতে পেস্ট করে দিলেই চলবে। তবে দিতে হবে কেননা না দিলে কিছু কিছূ ব্রাউজারে ঠিকমত আউটপুট আসেনা যেমন ইন্টারন্টে এক্সপ্লোরার (IE)।
বর্তমানে XHTML এই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে তাই এই সাইটেও HTML এর মুরব্বি XHTML এরই টিউটোলিয়াল দেয়া হচ্ছে, যদিও উচ্চারন করছি HTML আসলে সব এইচটিএমএল এর টিউটোলিয়ালগুলিতে আমরা XHTML এরই নিয়ম অনুসরন করেছি। আর একটা দরকারী কথা, HTML এর সর্বশেষ ভার্সন HTML 5 আসার পর এখনতো এটাই বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বের ওয়েবজুড়ে।
আমরা এইচটিএমএল ৫ এরও মুল বিষয়াদি পাশাপাশি আলোচনা করে যাব।

এর আগে এইচটিএমএল ট্যাগ নিয়ে আলোচনা করলাম। একটা start tag (যেমন <div>) এবং end tag (যেমন </div>)  এর মাঝে যা থাকে তা সহ পুরোটি একটা এলিমেন্ট। একটা এলিমেন্টের ভিতর ট্যাগের মতই এক বা একাধিক এলিমেন্ট থাকতে পারে বা থাকে (এটাকে nested এলিমেন্ট বলে)। নিচের উদাহরনটি দেখুন
1.<!DOCTYPE html>
2.<html>
3.<head> </head>
4.<body>
5.<h1>Webcoachbd demo heading</h1>
6.<p>demo content goes here.</p>
7.</body>
8.</html>
এখানে <html> </html> এর ভিতর যত কিছু আছে সব নিয়ে এটা একটা html এলিমেন্ট এরুপ body একটা এলিমেন্ট। একইভাবে বাকিগুলিও এক একটি এলিমেন্ট।
এলিমেন্টের ভিতর এলিমেন্ট থাকতে পারে আবার যেমন <h1></h1> এর ভিতর কোন এলিমেন্ট নেই, যে লেখাটি আছে সেটি হচ্ছে এর কনটেন্ট। তাই <h1></h1> এর ভিতরের লেখাটিসহ এটা h1 এলিমেন্ট।
এই উদাহরনটি DOC type এও দেয়া আছে, আমাদের অনলাইন এডিটরে কোডটি পেস্ট করে দেখতে পারেন বা নোটপ্যাডে লিখে .html এক্সটেনশন (যেমন index.html বা test.html) দিয়ে সেভ করে ব্রাউজারে খুলুন, এটিই হচ্ছে আউটপুট, একটা বেসিক এইচটিএমএল ডকুমেন্ট বা একটা ওয়েব পেজ।

এই উহরনটিতে মোট ৫টি এলিমেন্ট আছে html এলিমেন্ট, head এলিমেন্ট, body, h1 এবং p এলিমেন্ট।

* ট্যাগের মত এখানে html এলিমেন্টের চাইল্ড এলিমেন্ট হচ্ছে বাকি সবগুলি এলিমেন্ট। আবার body হচ্ছে প্যারেন্ট এবং এর চাইল্ড হচ্ছে h1 ও p এলিমেন্ট। যে এলিমেন্টের ভিতর অন্য এলিমেন্ট থাকে সেটা হচ্ছে প্যারেন্ট এবং ভিতরের গুলি চাইল্ড এলিমেন্ট।

* ট্যাগগুলির শব্দগুলি ছোটহাতের অক্ষরে লিখতে হবে, যেমন <body> এভাবে না দিয়ে <BODY> এভাবে দিলে এটা একটা গ্রামাটিকাল ভুল। সাথে সাথে end tag টিও দিতে হবে নাহলে একই ভুল হবে।

** যত এলিমেন্ট লেখি না কেন সব body এলিমেন্টের ভিতরই লিখতে হবে, বাকি এলিমেন্ট যেমন head ইত্যাদির ভিতর শুধু নির্দিষ্ট কিছু এলিমেন্ট লেখা যায়। ব্রাউজারে শুধু ঐটুকুরই আউটপুট আসে যেটা body এলিমেন্টের ভিতর থাকে।

Notepad++ এ বাংলা লিখবেন কিভাবে??
++++++++++++++++++++++++++++++
খুব সহজ। কোড লেখার আগে নোটপ্যাডের "Encoding" মেনু থেকে ইউনিকোড সেটিং সিলেক্ট করে দিতে হবে। তাহলে এবার বাংলা লিখলে ব্রাউজারে ঠিক ঠিক আউটপুট দেখতে পাবেন।

ব্লক লেভেল এবং ইনলাইন এলিমেন্ট
=========================
দুই ধরনের এলিমেন্ট আছে
ব্লকলেভেল এলিমেন্ট : যে এলিমেন্টগুলি বাই ডিফল্ট তার ডানে বামে পুরো জায়গা দখল করে থাকে সেগুলিকে ব্লক লেভেল এলিমেন্ট বলে। অন্যভাবে বলা যায় যে, যে এলিমেন্টগুলি শুরু হয় নতুন লাইনে (যখন ব্রাউজারে প্রদর্শন করবে) সেগুলি ব্লক লেভেল এলিমেন্ট।
div, p, h1, ul, li ইত্যাদি ব্লকলেভেল এলিমেন্ট।

ইনলাইন এলিমেন্ট : যে এলিমেন্টগুলির কারনে নতুন লাইন শুরু হয়না সেগুলি ইনলাইন এলিমেন্ট।
a, i, b, span, strong ইত্যাদি ইনলাইন এলিমেন্ট।

01.<!DOCTYPE html>
02.<html>
03.<head>
04. 
05.</head>
06.<body>
07. 
08.<h1>I am a block level element</h1>
09. 
10.<p>I am block level element too</p>
11. 
12.<strong>I am inline element</strong>
13.<a href="http://www.webcoachbd.com">"a" is a inline element </a>
14. 
15.</body>
16.</html>
আমরা যেকোন একটা এইচটিএমএল ডকুমেন্ট দেখি সেখানে অবশ্যই ট্যাগ থাকে। যেমন নিচের ডকুমেন্ট টি দেখুন এখানে <html>, <head>, </head>, <body> ইত্যাদি এক একটি ট্যাগ।
সোজা কথায় less than (<) চিহ্ন এবং greater than (>) চিহ্ন দিয়ে মোড়ানো একটা শব্দকে (যেটা এইচটিএমএল অনুমোদিত) ট্যাগ বলে। যেমন html শব্দটি এই দুই চিহ্ন দিয়ে মুড়িয়ে যখন HTML  ডকুমেন্টে লিখি তখন এটার নাম html ট্যাগ। এরুপ শত শত ট্যাগ আছে এইচটিএমএল এ। যেমন প্যারাগ্রাফ ট্যাগ <p></p>, হেডিং <h1></h1> ট্যাগ ইত্যাদি।

01.<!DOCTYPE html>
02.<html>
03.<head>
04.<title>HTML Tag tutorial in Webcoachbd</title>
05. 
06.</head>
07.<body>
08. 
09.<h1>Webcoachbd demo heading</h1>
10. 
11.<p>demo content goes here.</p>
12. 
13.</body>
14.</html>

প্রায় সব ট্যাগেরই একটা সমাপ্তি ট্যাগ থাকে যেমন উপরে <html> ট্যাগটির সমাপ্তি ট্যাগ (closing tag বলা হয়) হচ্ছে </html> আবার <h1> এর ক্লজিং ট্যাগ হল </h1> এভাবে বাকি সবগুলি।
টেকনিকাল শব্দ যেটা ব্যবহৃত হয় সেটা হচ্ছে শুরুর ট্যাগটিকে বলে opening tag বা start tag আর শেষের ট্যাগটিকে বলে closing tag  বা end tag. দুটোই একই শুধু ক্লজিং ট্যাগে একটা ব্যাকস্লাস (/) চিহ্ন বেশি থাকে।
এই ওপেনিং এবং ক্লজিং ট্যাগের ভিতর কনটেন্ট দিতে হয়। যেমন উপরে দিয়েছি।

** এই ট্যাগই হচ্ছে এইচটিএমএল এর মুল জিনিস। শত শত ট্যাগ আছে, যত বেশি মনে রাখতে পারবেন ততই দ্রুত কাজ করতে পারবেন। তবে অনেকদিন ধরে কাজ করলে বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় ট্যাগগুলি মুখস্থই থাকে।

** কিছু কিছু ট্যাগ আছে এগুলির ক্লজিং ট্যাগ নেই যেমন ইনপুট ট্যাগ, ইমেজ ট্যাগ ইত্যাদি। এই ট্যাগগুলি সামান্য একটু ভিন্ন।

1.<img src="/path/to/image.jpg" alt="an_image"/>
2.<input type="submit" value="Save"/>
দেখুন ইমেজ ট্যাগ শুরু হয়েছে <img এভাবে আর শেষ হয়েছে /> এই চিহ্ন দিয়ে। ইনপুট ট্যাগটিও তদ্রুপ। আর মাঝে যে জিনিসগুলি দেখছেন (src, type ইত্যাদি) এগুলি সংশ্লিষ্ট ট্যাগটির এট্রিবিউট।
* প্রতিটি ট্যাগেই নানান ধরনের এট্রিবিউট ব্যবহার করা যায়। এট্রিবিউট টিউটারিয়াল

* প্রত্যেকটি ট্যাগরই কাজ নির্দিষ্ট করা আছে যেমন আপনার এইচটিএমএল ডকুমেন্টে আপনি যদি প্যারাগ্রাফ দিতে চান তখন <p></p> ট্যাগের ভিতর তা দিতে হবে, হেডিং দিলে <h1></h1> ট্যাগের ভিতর দিতে হবে (বড় ফন্টের হেডিং হলে <h1>, সাইজ অনুযায়ী <h6> পর্যন্ত আছে)। টেক্সট ফিল্ড দিতে হলে input ট্যাগ, ছবি দিতে চাইলে <img ট্যাগ, ব্রাউজারের টাইটেল বারে দেখানোর জন্য আছে <title></title> ট্যাগ ইত্যাদি।

* উপরে যে ডকুমেন্টটি দিয়েছি সেখানে <html></html> কে বলে প্যারেন্ট ট্যাগ পুরো ডকুমেন্ট টির জন্য কেননা পুরো ডকুমেন্টে যত ট্যাগ আছে সবগুলি এর ভিতরে রাখা হয়েছে। ভিতরের ব্যবহৃত ট্যাগগুলি হল এর চাইল্ড ট্যাগ। একইভাবে head ট্যাগের চাইল্ড ট্যাগ হল title ট্যাগ কিন্তু title ট্যাগের কোন চাইল্ড ট্যাগ নেই। আবার দেখুন body হল প্যারেন্ট ট্যাগ এবং এর চাইল্ড ট্যাগ এখানে p এবং  h1
এইচটিএমএল এর প্রতিটি এলিমেন্ট ব্রাউজারকে এক একটা নির্দেশনা দেয় যে তার ভিতরে থাকা কনটেন্টকে কিভাবে প্রদর্শন করবে। যেমন <hr/> এলিমেন্ট ব্রাউজারকে বলে একটা আড়াআড়ি লাইন দেখাও। আবার <h1></h1> বলে একটা বড় ফন্টের শিরোনাম তৈরী কর ইত্যাদি।
অনেক এলিমেন্ট আছে যারা ব্রাউজারকে যেটা বলে সেটার সাথে আরো নতুন কিছু যোগ করে দেয়া যায়। এই যে একটা এলিমেন্টে নতুন তথ্য যোগ করলেন এটাকে সেই এলিমেন্টের এট্রিবিউট বলে। h1 এলিমেন্ট যখন ব্রাউজারকে বড় ফন্টের শিরোনাম প্রদর্শন করতে বলবে তখন এট্রিবিউট দিয়ে সেই শিরোনামটির রং কি হবে তাও বলে দিতে পারেন। যেমন
1.<h1 style="color:yellow;">HTML Attribute tutorial</h1>
অনলাইন এডিটর এখানে গিয়ে কোডটুকু দিয়ে "Edit and Hit" বাটনে ক্লিক করুন দেখবেন হলুদ রংয়ের শিরোনাম আউটপুট আসবে। এখানে "style" হচ্ছে একটা এট্রিবিউট এবং "color:yellow;" হচ্ছে এট্রিবিউটটির মান। যদি এট্রিবিউটটি ব্যবহার না করেন তাহলে কিন্তু শিরোনামটির রং পরিবর্তন হতনা বাই ডিফল্ট কালো থাকতো।
অধিকাংশ ট্যাগেই এরুপ অনেক ধরনের এট্রিবিউট যোগ করা যায়।

** এট্রিবিউট লেখার নিয়ম হচ্ছে প্রথমে এট্রিবিউটটির নাম এরপর সমান চিহ্ন (=) দিয়ে কোটেশনের ("" বা '') ভিতর এর মান। (সব ছোট হাতের অক্ষরে)

মুলত ৩ ধরনের এট্রিবিউট গ্রপ আছে যেগুলি একটা এলিমেন্টে থাকতে পারে। এর মধ্যে কোর এট্রিবিউট (core attribute) এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখবেন।

id, class, title, style হল কোর এট্রিবিউট। এরপর থেকে পরের টিউটোরিয়ালগুলিতে এই এট্রিবিউটগুলিকে গ্লোবাল এট্রিবিউট বলা হবে। HTML 5 এ বেশকিছু নতুন এট্রিবিউট এসেছে যেমন contenteditable, contextmenu, draggable, dropzone ইত্যাদি নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এখানে মনে রাখুন গ্লোবাল এট্রিবিউট কয়েকটি HTML এলিমেন্ট ছাড়া সব এলিমেন্টে ব্যবহার করা হয় বা যায়।

ইন্টারন্যাশলাইজেশান এট্রিবিউট হচ্ছে dir, lang এগুলি

এবং UI event এট্রিবিউট আছে যেমন onclick, ondoubleclick, onmouseout, onkeypress ইত্যাদি। এর থেকে সব টিউটোরিয়ালে এগুলিকে ইভেন্ট এট্রিবিউট বলা হবে। তবে একটা জিনিস মনে রাখুন যে ইভেন্ট এট্রিবিউটগুলি শুধু জাভাস্ক্রিপ্ট এর কাজ এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

id, class দিয়ে এলিমেন্টের নাম দেয়া যায় পরে সেই নাম ধরে সিএসএস স্টাইলিং করা হয়। এগুলি সিএসএস টিউটোরিয়ালে আছে।

title এট্রিবিউট কোন এলিমেন্টের দিলে এটা দিয়ে টুলটিপ আকারে তথ্য প্রদর্শন করা যায় যেমন
1.<h2 title="Hello Webcoachbd">Bangladesh is a country of natural beauty</h2>
প্রদর্শন

Bangladesh is a country of natural beauty

এর উপরে মাইস নিয়ে যান তাহলে "Hello Webcoachbd" লেখাটি টুলটিপ আকারে দেখতে পাবেন।

style এট্রিবিউটতো প্রথম উদাহরনেই দেখালাম, এখানে শুধু রং পরিবর্তন করেছি আপনি চাইলে আর অনেক সিএসএস প্রোপার্টিজ ব্যবহার করতে পারেন।
অন্যান্য এট্রিবিউটগুলি নিয়ে আলোচনা করলাম না কিন্তু যখনি কোন টিউটোরিয়ালে ব্যবহার করব, আলোচনা করে দেব।

ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট এবং প্রোগ্রামিং টিউটোরিয়াল

ওয়েব ডিজাইন শিখতে যেসব জানতে হবে

এইচটিএমএল : এটা একটা মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়, শেখা খুব সহজ।
সিএসএস : এটাও মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ
ফটোশপ : এখানে যে মুল কাজটি শিখতে হবে তাহল পিএসডি থেকে এইচটিএমএল টেমপ্লেট (PSD to HTML) বানানো এছাড়া ব্যানার, বাটন, এনিমেশন তৈরী করা এসব জানতে হবে।
অতিরিক্ত হিসেবে ফ্ল্যাশ দিয়ে এনিমেশন তৈরী করা শিখতে পারেন।

 

যেভাবে ওয়েব ডিজাইন শিখবেন

বিভিন্ন ওয়েব সাইটের টিউটোরিয়াল থেকে ওয়েব ডিজাইন ভালভাবে শিখতে পারবেন। বাংলা ইংরেজি অনেক সাইট আছে এসব শেখার।ওয়েব ডিজাইন শেখা বেশ সহজ, কয়েকমাসেই শেখা সম্ভব।ভালভাবে শিখতে পারলে ওয়েব ডিজাইনের উপর প্রচুর চাকরি এবং ফ্রিল্যান্সিং এ হাজার হাজার কাজ পাওয়া যায়।

 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইটের জন্য এপ্লিকেশন তৈরী করা।উপরে যে এপ্লিকেশনগুলির উল্লেখ করেছি এধরনের আরো হাজারো এপ্লিকেশন আছে, ওয়েব ডেভেলপারকে এসব এপ্লিকেশন তৈরী করতে হবে। যদি ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী এমনও এপ্লিকেশন তৈরী করা লাগতে পারে যার অস্তিত্ব পৃথিবীতে নেই। এই বিষয়টি বেশি চ্যালেন্জিং এবং ডাইনামিক।অর্থ্যাৎ আপনাকে এপ্লিকেশন ডিজাইন করতে হবে। তাই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কে আরও সুনির্দিষ্ট করে বলা যায় ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট

 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে যেসব জানতে হবে

এইচটিএমএল, সিএসএস এবং এরপর নিচেরগুলি..
ক্লাইন্ট সাইড প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেমন জাভাস্ক্রিপ্ট : এটাকে ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং ও বলা হয় অর্থ্যাৎ এই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে লেখা কোড শুধু কোন ব্রাউজারে (যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, অপেরা, গুগল ক্রোম ইত্যাদি) কাজ করবে।জাভাস্ক্রিপ্টের ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে দ্রুত কাজ করা যায়। এরুপ একটি ফ্রেমওয়ার্ক জেকোয়েরি টিউটোরিয়াল
সার্ভার সাইড প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেমন পিএইচপি: এটাকে সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং বলা হয় কারন এই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে লেখা কোডগুলি শুধু সার্ভারে এক্সিকিউট হয়।
ডেটাবেস : পিএইচপি দিয়ে কিভাবে ডেটাবেস সংযোগ করতে হয়, এসকিউয়েল দিয়ে ডেটাবেস বানানো অর্থ্যাৎ ডেটাবেস ডিজাইন জানতে হবে কারন এখন যেকোন ডাইনামিক সাইটের ডেটাবেস আছে অথবা বলতে পারেন ডেটাবেস থাকতেই হয়।
পিএইচপি এর যেকোন একটা ফ্রেমওয়ার্ক যেমন কোডইগনাইটার : (আরও আছে যেমন কেক পিএইচপি, জেন্ড ফ্রেমওয়ার্ক, সিমফনি, ওয়াই আইআই, কোহানা ইত্যাদি একটা শিখলেই চলবে) : কোন ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়াও ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরী করতে পারবেন তবে এতে বেশি সময় লাগবে এবং বেশি কোড লিখতে হবে।
এক্সএমএল : API, ছোটখাট ডেটা স্টোরিং ইত্যাদির জন্য এক্সএমএল লাগে।

 

যেভাবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখবেন

বাংলা ইংরেজি অনেক সাইট আছে এসবের টিউটোরিয়াল থেকে শিখতে পারবেন। এছাড়া Wrox বা Apress পাবলিকেশনের অনেক ভাল ভাল বই আছে সেগুলির সাহায্য নিতে হবে। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার সবচেয়ে কার্যকরী কৌশলটি হল "বসে যান এবং একটা প্রজেক্ট তৈরী করুন" হতে পারে একটা ফোরাম, ব্লগ, ইউজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এই ধরনের কোন প্রজেক্ট। raw PHP দিয়ে করুন। এরপর সিএমএস বা ফ্রেমওয়ার্ক ডেভেলপমেন্টে যান।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে অনেক সময় লাগবে, শেখা কঠিন এবং প্রচুর ধৈর্য্য সাথে আগ্রহ লাগবে।চাকরি ক্ষেত্রে বা ফ্রিল্যান্সিং এ ওয়েব ডেভেলপারের চাহিদা আকাশছোয়া।

Monday, November 27, 2017

কিভাবে Personal ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করবেন?

প্রায় সময়েই অনেকের সামনে আমাকে একটি প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয় যে, আমি কি ব্যক্তিগতভাবে ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করে অন-লাইন হতে টাকা উপার্জন করতে পারব? অধিকাংশ লোক এ বিষয়ে পরিষ্কারভাবে জানার জন্য অধীর কৌতুহলী আগ্রহ নিয়ে প্রশ্নটি করেন। প্রশ্নকারীকে সহজে বুঝানোর স্বার্থে যে কোন অন-লাইন মার্কেটার প্রশ্নটির উত্তর এক কথায় দেবেন, হ্যা। তখন এই উত্তরের প্রেক্ষিতে আরোও অসংখ্য প্রশ্ন অটোমেটিক্যালি আসতে থাকবে। তাহলে কিভাবে করব, কি করতে হবে এবং কিভাবে বেশী আয় করব, ইত্যাদি ইত্যাদি?
কিভাবে Personal ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করবেন?
অন-লাইন হতে আয় করার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক কোম্পানীগুলির জন্য যতটা না কঠিন, তার চাইতে অধিক কঠিন কোন পার্সনাল ব্লগ হতে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আয় করা। কারণ কোন ভালমানের কোম্পানী তাদের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তার কারনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের অনেক নিয়ম-কানুন অনুসরণ না করেও পর্যাপ্ত ভিজিটর পেয়ে যান। ফলে দেখা যায় পর্যাপ্ত ভিজিটর থাকার কারনের তারা খুব সহজে যে কোন ধরনের CPC বা CPM টাইপের বিজ্ঞাপন ব্যবহারের অনুমোদন পেয়ে যান। অধিকন্তু তাদের জনপ্রিয়তার কারনে বিভিন্ন Local Advertising কোম্পানীর কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অফার পেয়ে ভালমানের টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হন।

-
অন্যদিকে ব্যক্তিগত ব্লগের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং কঠিনতর হয়। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় আপনি যখন ব্লগিং শুরু করবেন, তখন আপনার ব্লগটি কেউই চিনবে না। সে ক্ষেত্রে সবার কাছে পরিচিত করার জন্য সার্চ ইঞ্জিনের সকল নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করে আপনার ব্লগের বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত অন্য ব্লগগুলিকে পিছনে ফেলে নিজের ব্লগটিকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় নিয়ে আসতে হবে। ভালমানের কনটেন্টের সমন্বয়ে যখনই আপনি এ কাজটি করতে সক্ষম হবেন, কেবল তখনই আপনি আপনার ব্লগ থেকে আশানুরূপ আয়/ফলাফল পাওয়ার আশা করতে পারেন। কারন যখন আপনার ব্লগে পর্যাপ্ত পরিমানে ভালমানের কনটেন্ট থাকবে এবং পোষ্টগুলি সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় আসতে থাকবে, তখন আপনার ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধি করার জন্য চিন্তা করতে হবে না। তবে এই পুরো কাজটি আপনাকে একা করার ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমানে ধৈর্য্য ধারন করে একাগ্রতার সাথে দীর্ঘ দিন পরিশ্রম করে যেতে হবে। উল্লেখ্য যে, বিশেষ করে ব্যক্তিগত ব্লগে CPC বা CPM বিজ্ঞাপন ব্যবহারের ক্ষেত্রে যার ব্লগে যত বেশী ভিজিটর থাকবে সে তত বেশী আয় করতে পারবে।

নিচে আমরা সবচাইতে সহজ এবং দীর্ঘ মেয়াদী আয় করার মত ০৩ টি উপায় দেখাব, যেখান থেকে আপনার ব্যক্তিগত ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করে টাকা আয় করতে পারবেন।

 Google AdSense

সম্ভবত অন-লাইন ভিত্তিক বিজ্ঞাপনি কোম্পানীর মধ্যে Google AdSense হচ্ছে সবচেয়ে পরিচিত এবং জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। বিশেষ করে অধিকাংশ নতুন ব্লগাররা Google AdSense ব্যতীত অন্য কোন ধরনের অন-লাইন বিজ্ঞাপন সম্পর্কে ধারনাই নেই। Google AdSense এ বিজ্ঞাপন দাতা এবং বিজ্ঞাপন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশী হওয়াতে এবং বিশ্বস্ততার কারনে এটি সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। একজন নতুন ব্লগারের জন্য AdSense এর মাধ্যমে অন-লাইন হতে ভালমানের টাকা আয় করার সবচাইতে সহজ এবং বিশ্বস্ত একটি প্লাটফর্ম।

সাধারণত Google AdSense ব্লগ এবং কনটেন্টের কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং ক্লিক প্রতি (CPC) মূল্য প্রদান করে থাকে। এ ক্ষেত্রে ব্লগের বিজ্ঞাপনের উপর যত বেশী Unique ক্লিক পড়বে, আপনার ব্লগের আয় তত বেশী হবে। এ ছাড়া Google AdSense ব্লগের Page View (CPM) হিসেব করেও বিজ্ঞাপনের মূল্য প্রদান করে থাকে। এটির মূল্য ব্লগের র‌্যাংক এবং কনন্টের Value এর উপর ডিপেন্ড করে। আমরা ইতিপূর্বে Google AdSense নিয়ে একটি সিরিজের মাধ্যমে কয়েকটি পোষ্ট শেয়ার করেছি। আপনি উপরের লিংক থেকে সবগুলি পোষ্ট পড়ে নিলে অল্প দিনে AdSense অনুমোদন করে নিতে সক্ষম হবেন।

 BuySellAds

এটিও একটি উন্নতমানের High Paying বিজ্ঞাপনি সংস্থা। তবে BuySellAds এর পলিসি এবং বিজ্ঞাপনের মূল্য Google AdSense এর চাইতে সম্পূর্ন ভিন্ন। সাধারণত একটি ব্লগে যখন প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তখন ব্লগের মালিক ব্লগের বিভিন্ন স্থানে বিজ্ঞাপনের স্থান হিসেবে নির্ধারিত মাপের Space তৈরী করে BuySellAds পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। তখন তারা যদি আপনার ব্লগটি তাদের বিজ্ঞাপনের জন্য উপযুক্ত মনে করে, তাহলে আপনার ঐ বিজ্ঞাপনের Space গুলি নির্ধারিত সময়ের জন্য বিভিন্ন দামে বিক্রি করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি Google AdSense এর চাইতে অনেক বেশী পরিমানে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

তবে Google AdSense অনুমোদন করা যতটা না কঠিন তার চাইতে অনেক বেশী কঠিন BuySellAds অনুমোদন করা। আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি যখন প্রচুর পরিমানে ভিজিটর বাড়তে থাকবে, কেবল তখনই আপনি BuySellAds অনুমোদন পাওয়ার আশা করতে পারেন। সাধারণত কারো ব্লগে যখন মাসিক ৫০/৬০ হাজার ইউনিক Page View থাকে, তখন ব্লগটি BuySellAds এ আবেদন করার যোগ্য হয়েছে বলে ধরতে পারবেন।

 Affiliate Ads

এটি হচ্ছে কমিশন ভিত্তিক অন-লাইন বিজ্ঞাপন। Affiliate Marketing এমন একটি মাধ্যম যেখানে পাবলিশার এবং প্রোডাক্ট প্রস্তুতকারি একত্রে সম্মেলিত হয়ে প্রোডাক্ট মার্কেটিং ও বিক্রি করে প্রফিট ভাগাভগি/কমিশন করে নেয়।

মনেকরুন আপনার একটি ভালমানের ব্লগ আছে, যেখানে প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে লোক ভিজিট করে। তাহলে আপনি আপনার ব্লগের কনটেন্ট রিলেটেড বিজ্ঞাপন দিয়ে ভিজিটরকে আকৃষ্ঠ করে প্রোডাক্ট প্রস্তুতকারি/বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দিলেন। ফলে আপনার ব্লগের মাধ্যমে ঐ প্রতিষ্ঠান তার কিছু প্রোডাক্ট বিক্রি করে নিল। এ ভাবে ভিজিটর প্রদান বা প্রোডাক্ট বিক্রির চুক্তি আনুযায়ী আপনি পেমেন্ট গ্রহন করবেন। Affiliate Marketing বিষয়টির জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বেড়েই চলছে।

সর্বশেষঃ আমরা বর্তমান সময়ের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ এবং সহজ বিষয়গুলির মাধ্যমে পার্সনাল ব্লগারদের কয়েকটি আয়ের উৎস সম্পর্কে অবগত করার চেষ্টা করেছি। আপনি যদি ব্লগে নিয়মিতভাবে ভালমানের কনটেন্ট শেয়ার করার পাশাপাশি যথারীতিনুসারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করে আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর বৃদ্ধি করে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করতে পারেন, তাহলে একসাথে ০৩ টি বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে Smart Amount Income করে নিতে পারবেন।

Sunday, November 26, 2017

প্রশ্নের আলোকে গুগল AdSense সংক্রান্ত সকল সমস্যার সংক্ষিপ্ত সমাধান!


গুগল এ্যাডসেন্স হচ্ছে ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা যেটি গুগল নিজে পরিচালনা করছে। ব্লগ এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপ ব্যবহার করে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের যত উপায় আছে তার মধ্যে AdSense হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। তারপরও সবার মনে কিছু প্রশ্ন জাগে যে, এটা কি আসলে সত্য বা সম্ভব? আমি কি সব সময় Google AdSense থেকে টাকা উপর্জন করতে পারবো? আমি কি ওখান থেকে ‍উপার্জিত টাকা দিয়ে সব কিছু চালিয়ে যেতে পারবো?
প্রশ্নের আলোকে গুগল AdSense সংক্রান্ত সকল সমস্যার সংক্ষিপ্ত সমাধান!
আমাদের ব্লগে ইতোপূর্বে গুগল এ্যাডসেন্স বিষয়ে অনেক পোষ্ট রয়েছে। তারপরও ফেইসবুক কমিউনিটি পেজে অনেকে বিভিন্ন সময়ে ছোট ছোট প্রশ্ন করে থাকেন। অনেক সময় কাজের ব্যস্ততায় ঐ সহজ প্রশ্নগুলির উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যেতে হয়। সে জন্য আজ আমি সকল ছোট প্রশ্নগুলির উত্তর প্রশ্নভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সবার সমনে সহজ ও বোধগম্য ভাষায় উপস্থাপন করব।

-
পোষ্টটি শুরু করার পূর্বে আপনাদের একটি বিষয় জানিয়ে দিচ্ছি যে, গুগল এ্যাডসেন্স গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখ হতে বাংলা ভাষা সাপোর্ট করছে। বিষয়টি যারা এখনো জানেন না তারা অবগত হয়ে তাদের বাংলা ব্লগের মাধ্যমে গুগল এ্যাডসেন্সর জন্য আবেদন করতে পারেন। উল্লেখ্য যে, আমাদের প্রযুক্ত ডট কম ব্লগটিও বাংলা কনটেন্ট দিয়ে গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন করে গুগল এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করছে।

 গুগল এ্যাডসেন্স সংক্রান্ত বেসিক প্রশ্নঃ

  • প্রশ্নঃ গুগল এ্যাডসেন্স কি?
  • উত্তরঃ গুগল এ্যাডসেন্স হচ্ছে অনলাইন ভিত্তিক বিজ্ঞাপন। যার মাধ্যমে যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজনীয় পন্যের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে পারেন। অন্যদিকে এ্যাডসেন্স পাবলিশাররা তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ গুগল এ্যাডসেন্স থেকে কি আয় করা সম্ভব?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব।
  • প্রশ্নঃ বাংলা ওয়েবসাইট থেকে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া যায়?
  • উত্তরঃ আগে পাওয়া না গেলেও সম্প্রতি গুগল বাংলা ওয়েবসাইটে অনুমোদন দিচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে আমাদের ব্লগকে অনুসরণ করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ এ্যাডসেন্স অনুমোদনের জন্য বাংলা ওয়েবসাইট ভাল নাকি ইংরেজী ওয়েবসাইট ভাল?
  • উত্তরঃ অনুমোদনের ক্ষেত্রে দুটি ভাষা সমান। তবে বাংলা ওয়েবসাইটের চাইতে ইংরেজী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বেশী আয় করা যায়।
  • প্রশ্নঃ শুনলাম এশিয়া মহাদেশ থেকে এ্যাডসেন্স পাওয়া খুব কঠিন বিষয়?
  • উত্তরঃ এই তথ্যটি সঠিক নয়। একটি পরিপূর্ণ যোগ্যতা সম্পন্ন ব্লগের মাধ্যমে যে কোন দেশ থেকে সহজে এ্যাডসেন্স অনুমোদন করা সম্ভব।
  • প্রশ্নঃ বাংলাদেশে নাকি ৬ মাসের পূর্বে এ্যাডসেন্স অনুমোদন করে না?
  • উত্তরঃ এটিও সঠিক নয়। তবে একটি ব্লগকে এ্যাডসেন্সের জন্য পরিপূর্ণ উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রায় ৬ মাসের অধিক সময় লেগে যায়। সে জন্য ব্লগের বয়স নূন্যতম ছয় মাস হওয়ার আগে এ্যাডসেন্সের আবেদন করতে অভিজ্ঞরা নিষেধ করেন। তবে এর আগে যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে ছয় মাসের পূর্বেই এ্যাডসেন্স পাওয়া সম্ভব।
  • প্রশ্নঃ আবেদন করার পূর্বে কমপক্ষে কতগুলো পোষ্ট থাকতে হবে?
  • উত্তরঃ ভালমানের আর্টিকেলের সমন্বয়ে কমপক্ষে ২৫/৩০ টি পোষ্ট রাখা প্রয়োজন।
  • প্রশ্নঃ প্রত্যেকটি পোষ্টের জন্য কি পরিমান আর্টিকেল হলে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?
  • উত্তরঃ প্রত্যেকটি পোষ্টে ৪০০/৫০০ ওয়ার্ড রাখাটা ভাল।
  • প্রশ্নঃ কপি করা আর্টিকেল দিয়ে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া যায়?
  • উত্তরঃ আদৌ কেউ অনুমোদন পায়নি এবং ভবিষ্যতেও সম্ভব নয়!
  • প্রশ্নঃ কাষ্টম ডোমেন দিয়ে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?
  • উত্তরঃ আগে পাওয়া যেত কিন্তু সম্প্রতি পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একটি টপ লেভেলের ডোমেন নিয়ে তার পর এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার স্বপক্ষে গুগল নিজেও পরামর্শ দিচ্ছে।

 আবেদন করার পূর্বে করণীয় কি?

  • প্রশ্নঃ ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করলে ভাল নাকি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে করলে ভাল হয়?
  • উত্তরঃ আপনি যেটি দিয়ে ব্লগিং করেন না কেন এ্যাসেন্স অনুমোদনের ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব পাবে।
  • প্রশ্নঃ কাষ্টম থিমস নিয়ে কাজ করব নাকি ডিফল্ট থিমস নিয়ে?
  • উত্তরঃ একটি ভালমানের কাষ্টম থিমস নিয়ে কাজ করাটাই উত্তম।
  • প্রশ্নঃ শুনেছি ব্লগস্পট দিয়ে ব্লগিং করলে নাকি ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না?
  • উত্তরঃ এটা ঠিক নয়। আপনার ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকলে ব্লগস্পট নিয়ে কাজ করে ভাল র‌্যাংক করা কোন ব্যাপারই না।
  • প্রশ্নঃ ডট কম ডোমেন ভাল নাকি ডট নেট হলে ভাল হয়?
  • উত্তরঃ আমি সবসময় ডট কম ডোমেন নেওয়ার পরামর্শ দেব।
  • প্রশ্নঃ কত অক্ষরের ডোমেন নেম হলে ভালো হয়?
  • উত্তরঃ পাঁচ অক্ষর থেকে শুরু করে পনের অক্ষরের মধ্যে রাখাটা ভাল।
  • প্রশ্নঃ কোন ধরনের টপিক নিয়ে কাজ করলে এ্যাডসেন্স দ্রুত অনুমোদন হবে?
  • উত্তরঃ গুগল সবসময় প্রযুক্তি বিষয় সংক্রান্ত ব্লগকে প্রধান্য দিয়ে থাকে?
  • প্রশ্নঃ নিস হিসেবে Blogspot টিউটোরিয়াল কেমন?
  • উত্তরঃ অবশ্যই ভাল। পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইন এবং এসইও নিয়ে লিখতে পারলে দ্রুত এ্যাডসেন্স পাওয়ার আশা করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ এসইও করলে নাকি দ্রুত এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?
  • উত্তরঃ সঠিকভাবে এসইও করা ব্লগকে এ্যাডসেন্স অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে মূল্যায়ন করে। কারণ প্রোপার এসইও করা ব্লগে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক বৃদ্ধি পায়।
  • প্রশ্নঃ ব্লগে About Us, Contact, Privacy Policy রাখা কি বাধ্যতামূলক?
  • উত্তরঃ এগুলো আপনার ব্লগ সম্পর্কে পাঠকদের স্বচ্ছ ধারনা দেয়। কাজেই এই পেজগুলি রাখলে ভাল ফলাফল পাবেন। বিশেষ করে জনপ্রিয় ব্লগের এ পেজগুলি অনেক গুরুত্ব বহন করে।
  • প্রশ্নঃ নিউজ, ভিডিও এবং ফ্রি নেট বিষয়ে গুগল এ্যাডসেন্স  অনুমোদন হয় নাকি?
  • উত্তরঃ সার্চ ইঞ্জিনের কাছে এগুলোর গুরুত্ব খুবই কম। সে জন্য এই টপিক গুলিতে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয় না বল্লেই চলে। তবে জনপ্রিয় করতে পারলে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • প্রশ্নঃ ইউনিক কনটেন্টের সাথে গুগল থেকে Image নিয়ে পাবলিশ করলে কোন সমস্যা হবে কি না?
  • উত্তরঃ অন্য ওয়েবসাইটের লগোযুক্ত ছবি ব্যবহার না করলে সমস্যা হবে না। তবে কেউ যদি তার ব্লগের ছবি সম্পর্কে রিপোর্ট করে, তাহলে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • প্রশ্নঃ সাইটে পর্যাপ্ত ইউনিক আর্টিকেল রয়েছে কিন্তু ভিজিটর কম, এ ক্ষেত্রে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?
  • উত্তরঃ পাওয়া যাবে, কারণ গুগল এ্যাডসেন্স সাইটের ট্রাফিককে খুব বেশী গুরুত্ব দেয় না। ভালমানের পর্যাপ্ত কনটেন্ট থাকলে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হবে।
  • প্রশ্নঃ ডট TK ডোমেন দিয়ে কি এ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?
  • উত্তরঃ না।
  • প্রশ্নঃ এ্যাডসেন্সে আবেদন করার পূর্বে কি কি Check List তৈরি করা দরকার?
  • উত্তরঃ গুগল এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই কিছু Check List তৈরি করা ভাল। যেমন-ব্লগের সকল পোস্ট ৮০-৯০ ভাগ ইউনিক কিনা এবং গুগল পলিসির ভিতরে আছে কিনা। ব্লগের সকল গুরুত্বপূর্ণ পেজ ঠিক আছে কিনা। ওয়েবসাইটে ২৫-৩০ টি পাষ্ট ঠিকমতো ইনডেক্স হচ্ছে কিনা। ব্লগের ডিজাইন এবং এসইও ফ্রেন্ডলি কিনা সেটা চেক করতে হবে। সাদা সিদে ন্যাভিগেশন এবং লেয়াউট এ সব দরকারি জিনিস রাখতে হবে। সার্চ ইঞ্জিনে কিছু Organic Keywords এ ভাল Rank করালে এক্সট্রা পায়রিটি পাওয়া যাবে। সবকিছু ঠিকমতো থাকলে অল্প দিনে এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া সম্ভব।

 হোস্টেড ও নন-হোস্টেড একাউন্ট কি?

  • প্রশ্নঃ Hosted AdSense বলতে কি বুঝানো হয়?
  • উত্তরঃ গুগল ব্লগার, YouTube এবং AdMob দ্বারা ব্যবহৃত এ্যাডসেন্স হচ্ছে Hosted AdSense.
  • প্রশ্নঃ Non Hosted AdSense বলতে কি বুঝায়?
  • উত্তরঃ নিজস্ব সাইট দিয়ে অনুমোদন পাওয়া গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট হচ্ছে Non Hosted AdSense.
  • প্রশ্নঃ Non Hosted AdSense এর জন্য Alexa rank কোন প্রভাব বিস্তার করে?
  • উত্তরঃ না।
  • প্রশ্নঃ বাংলাদেশ থেকে Non Hosted AdSense এর জন্য কোন Niche বেশী অনুমোদন হয়?
  • উত্তরঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে Smartphone Review, Education Result এবং Technology সাইট দিয়ে অনুমোদন পাওয়া সম্ভব হয়।
  • প্রশ্নঃ Hosted ও Non Hosted AdSense এর মধ্যে পার্থক্য কি?
  • উত্তরঃ এই দুটির মধ্যে প্রধান পার্থক্য হচ্ছে Hosted শুধুমাত্র গুগলের ব্লগার, YouTube এবং AdMob এ ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে নিজস্ব সাইটে Non Hosted AdSense সর্বোচ্চ ৫০০ টি Website এ ব্যাবহার করা যায়।
  • প্রশ্নঃ Hosted Account কি Non Hosted Account এ Upgrade করা যায়?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ করা যায়, গুগল পলিসি অনুসারে ব্লগ তৈরি করে আবেদন করে Hosted Account থেকে Non Hosted Account এ Upgrade করা যায়।

 এ্যাডসেন্স সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্নঃ

  • প্রশ্নঃ আমি কি গুগল AdSense এর জন্য Sub Domain ব্যবহার করতে পারি?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ পারেন, তবে আগে টপ লেভেল ডোমেইন দিয়ে অনুমোদন করাতে হবে, তারপর সাব ডোমেইন এ অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করতে পারবেন ।
  • প্রশ্নঃ Troll সাইটে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন হবে এবং এ ক্ষেত্রে কি ধরনের আর্টিকেল প্রয়োজন?
  • উত্তরঃ যদি গুগলের নীতিমালা ভঙ্গ না করে, তবে ভালো মানের ২৫/৩০ টি পোস্ট দিয়ে অনুমোদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি যে কোন প্রোডাক্ট বেইজ ও ইনফরমেটিভ ব্লগ তৈরি করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ ব্লগের বেশীরভাগ ভিজিটর Facebook থেকে আসলে কি AdSense অনুমোদন সম্ভব?
  • উত্তরঃ এ্যাডসেন্স অনুমোদন দেবে। তবে ফেসবুকের ভিজিটরের চাইতে গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসা ভিজিটরের মূল্য বেশি। সে ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের গুরুত্ব দিতে হবে।
  • প্রশ্নঃ কিভাবে এ্যাডসেন্স ব্লক হওয়া থেকে রক্ষা করব এবং আয় বৃদ্ধি করব?
  • উত্তরঃ অ্যাডসেন্স ব্লক হওয়া থেকে বাঁচার জন্য এ্যাডসেন্সের পলিসি অনুসরণ করে ব্লগিং করতে হবে। আয় বৃদ্ধি করার জন্য ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধি করার পাশাপাশি এ্যাডসেন্স CTR, CPC ও RPM রেট বৃদ্ধি করতে হবে।
  • প্রশ্নঃ ভালমানের আর্টিকেল মানে কি? ভালো কোয়ালিটি সম্পন্ন আর্টিকেলের কি কি গুন থাকা দরকার? আর্টিকেলের মান ভালো না খারাপ সেটা চেক করার কি কোন উপায় আছে?
  • উত্তরঃ আপাত দৃষ্টিতে ভালমানের আর্টিকেল বলতে ইউনিক ও গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলকে ‍বুঝায়? যে আর্টিকেল গুলির ডিমান্ড সর্বস্তরে রয়েছে, সেগুলিই হচ্ছে ভালমানের আর্টিকেল। Google Keyword Planner দিয়ে খুব সহজে আর্টিকেলের মান যাচাই-বাছাই করতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ আমার ব্লগে যদি ৫০ ভাগ ইউনিক পোষ্ট থাকে, তবে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে? অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনটা বেশি জরুরি, ইউনিক পোস্ট  নাকি ভিজিটর?
  • উত্তরঃ এ ক্ষেত্রে এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। অ্যাডসেন্স অনুমোদনের ক্ষেত্রে ভিজিটরের চাইতে ইউনিক পোষ্টকে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে।
  • প্রশ্নঃ ব্লগের Privacy পেজ কিভাবে তৈরি করব? অনলাইনের বিভিন্ন টুল দিয়ে জেনারেট করে নিলে কোন সমস্যা হবে কি না?
  • উত্তরঃ অনলাইনের বিভিন্ন টুল দিয়ে জেনারেট করে Privacy পেজ তৈরি করতে পারেন। তবে আপনার ব্লগের বিষয়ে সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছুটা পরিবর্তন করবেন। এ পদ্ধতীতে কোন প্রকার সমস্যা হবে না।

 এ্যাডসেন্স সংক্রান্ত বিষদ প্রশ্নঃ

  • প্রশ্নঃ আমার একটা ব্লগ আছে ব্লগার এ Domain এখনো Set করা হয়নি, কিছুদিন এর মধ্যে Domain Set করব। এখন পর্যন্ত ৫০ টা পোস্ট করা হয়েছে। সব পোস্ট ৮০% Unique. ব্লগে প্রতিদিন ১০০+ ভিজিটর আসে। ডোমেন Set করার কতদিন পর AdSense Apply করলে Approve পেতে পারি। আমার Content এর যদি কোনো Problem থাকে এবং আমি যদি সেটা একবার Apply করার পর বুজতে পারি এবং সেই Content গুলো Delete করে দিয়ে আবার Fresh কনটেন্ট পোস্ট করে পুনরায় Apply করি তাহলে কি Problem হবে কিংবা Approve হবে?
  • উত্তরঃ কোথায় ডোমেইন সেট করবেন? ব্লগারে? আমি বলবো না। নিজস্ব সাইট বানান। ডোমেইন সেট করলে এক মাস পরে এপ্লাই করে দেখুন। কনটেন্ট ভালো মানের হলে এপ্রুভ পেয়ে যাবেন। কপি পেস্ট মুক্ত ফ্রেশ কনটেন্ট। অবশ্যই গ্রামার, সেন্টেন্স এবং কতো % ইউনিক সেটা মাথায় রাখতে হবে, আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। ডিলেট করলে বিপদে পড়বেন। 404 not Found আসবে আর সাইটের Rank হারাবেন। কনটেন্ট আপডেট কিংবা রি – রাইট করলে ভালো হবে।
  • প্রশ্নঃ ভাই Adsense পেতে সাইটের বয়স কত লাগবে? কতগুলো পোষ্ট আর কি রকম এসইও করা লাগবে?
  • উত্তরঃ গুগল এর মেইন শর্ত হচ্ছে হাই কুয়ালিটি ভালো মানের কনটেন্ট এবং ১ টা টপ লেভেল ডোমেইন দিয়ে সাইট বানাতে হবে। তারপর সাইটে ৪০-৫০ দিন সময় নিয়ে ৪০-৫০ টা ইউনিক আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। সাইটে About, Privacy, Contact us & DMCA পেজ গুলো ঠিক মতো পাবলিশ করতে হবে। সাইটের সকল পোস্ট Google Webmaster এ সাবমিট করতে হবে। তারপর হালকা পাতলা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করুন। তারপর সাইটের বসয় ৫০-৬০ দিন হলে গুগল অ্যাডসেন্স এপ্লাই করুন। অ্যাডসেন্স এপ্রুভ হতে সময় লাগবে না।
  • প্রশ্নঃ Google Adsense এর টাকা কিভাবে উঠানো যায়?
  • উত্তরঃ ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশের সবাই চেক দিয়ে টাকা ক্যাশ করাতাম। মাস খানিক সময় লাগতো টাকা ক্যাশ করতে। এখন EFT আছে, সরাসরি ৪-৫ দিনেই টাকা ব্যাংক এ চলে আসে। ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক দিয়ে টাকা উত্তোলন করা যায়।
  • প্রশ্নঃ হোস্টেড অ্যাডসেন্সে অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট মেথড হিসেবে DBBL Mobile Banking কিভাবে অ্যাড করা যায়? সাধারণত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অ্যাড করার জন্য ধারাবাহিকভাবে কি করতে হয়?
  • উত্তরঃ হোস্টেড অ্যাডসেন্সে অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট মেথড হিসেবে DBBL Mobile Banking হিসাবে অ্যাড করা যায়। Adsense & Domain Parking গ্রুপের কয়েক জন DBBL Mobile Banking দিয়ে টাকা তুলে। আমি কখনো ইউজ করি নাই। সম্ভবত Account No. এর জায়গায় Mobile Banking নাম্বার দিতে হয়। যারা ইউজ করে, তারা আরও বিস্তারিত বলতে পারবে।
  • প্রশ্নঃ অ্যাডসেন্স Approve পাওয়ার পর যদি আমি আমার সাইট এর Banner বা অন্য কোথাও সাইট এর Related Niche এর cpa বা অন্য কোন Product এর Promotion করি, তাহলে কি AdSense এর কোন Problem হবে?
  • উত্তরঃ Promotion/cpa তে যদি গুগল পলিসি ভঙ্গ করে এমন কিছু থাকে, তাহলে ব্যাবহার না করাই ভালো। তবে Amazon & Adsense একই সাইটে ব্যাবহার করা যায়। কোন সমস্যা হয় না।
  • প্রশ্নঃ আমার YouTube AdSense Account আছে। Non Hosted Ste এর জন্য কি আমি AdSense apply করতে পারব? এক্ষেত্রে কি কোন Problem এ পরতে হবে? YouTube and Website এর জন্য ২ টার Earning কি একসাথে দেখাবে, নাকি আলাদা আলাদা দেখাবে?
  • উত্তরঃ হ্যাঁ পারবেন। ঝামেলাযুক্ত কাজ। তবে এর চেয়ে নতুন নেওয়া অনেক সহজ । সব রিপোর্ট আলাদা দেখতে পারবেন।
  • প্রশ্নঃ বর্তমান ইউটিউব অ্যাডসেন্স কি ব্লগার এ ব্যবহার করা সম্ভব? যদি যায় তাহলে বর্তমানে কিভাবে করব?
  • উত্তরঃ সম্ভব না। ভালোমানের ব্লগ তৈরি করে Upgrade করে নিতে পারেন।
  • প্রশ্নঃ আমার যদি ইতোমধ্যেই একটি AdSense একাউন্ট থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে আমার ছোট ভাই আরেকটি একাউন্ট এপ্লাই করতে পারবে যদি বাড়ির এড্রেস একি হয়?
  • উত্তরঃ আলাদা সাইট, আলাদা কম্পিউটার আইপি, আলাদা ঠিকানা এবং আলাদা Payee Name দিয়ে সহজেই এপ্রুভ পাবেন। আশা করি কোন ঝামেলা হবে না।
নোটঃ এই পোষ্টের সকল আর্টিকেল আমার নিজের লেখা নয়। পোষ্টের ৪০% আর্টিকেল জনাব রুবেল এর বাংলা ব্লগ “রুবেল এসবিএস” থেকে নেওয়া। তবে আমার পোষ্টটি শুরুর দিকে উনার ব্লগ থেকে কনটেন্ট নেওয়ার টার্গেট ছিল না। পোষ্টের কিছু আর্টিকেল লিখার পর অনলাইনে সার্চ করতে গিয়ে উনার পোষ্টটি পেয়ে যাই। যদিও আর্টিকেল আমি নিজেই লিখতে পারতাম কিন্তু পোষ্টের বেশীরভাগ লেখা উনার লেখার সহিত মিলে যেত। সে জন্য পোষ্টের শেষের আর্টিকেল নিজে না লিখে উনার ব্লগ থেকে নিয়েছি। মিঃ রুবেল এর ব্লগ পোষ্টের আর্টিকেল কপি করার তিন দিন আগে উনার অনুমতি চেয়ে একটি মেইল পাঠিয়েছিলাম কিন্তু উনি আমাকে হ্যাঁ কিংবা না কোন উত্তর দেননি। আমার মনেহয় উনি দীর্ঘদিন যাবৎ ব্লগ থেকে দূরে আছেন বিধায় আমার মেইল পড়তে পারেননি। ভবিষ্যতে উনি আমার পোষ্টটির আর্টিকেলের Fair Usage Policy মানতে না চাইলে আমরা তার কনটেন্ট যে কোন সময় মুছে দেব।



Many websites are available on the internet which provides very stylish blogger template at very low cost. If you purchase their template than that template will not contain any credit link. These websites also provide most of the free blogger template with Non-removable credit link. Means, what? If you’ll try to remove credit link from their template, then your blog will automatically redirect to their website (Homepage or a particular site). This is because they added some JavaScript into their free templates. In another hand, if you undo the changes and keep their original credit of template then it works perfectly.

কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করতে হয়?

একটি ব্লগের/ওয়েবসাইটের র‌্যাংক বা অবস্থান নির্ণয়ের জন্য বর্তমান সময়ের সবচাইতে বেশী ব্যবহৃত এবং গুরুত্বপূর্ণ র‌্যাংকিং ব্যবস্থা হচ্ছে Alexa. বিগত দুই বৎসরের অধিক সময় থেকে গুগল পেজ র‌্যাংক আপডেট না হওয়ার কারনে ওয়েবমাষ্টাররা Alexa-কে বেশী প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। গত পোষ্টে আমরা Alexa র‌্যাংকিং এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে লিখার পাশাপাশি দেখিয়েছিলাম কিভাবে Alexa Traffic Rank বৃদ্ধি করতে হয়? সেই জন্য পুনরায় Alexa এর গুরুত্ব নিয়ে লিখতে চাচ্ছি না। তবে এ পোষ্টটি পড়ার পূর্বে অবশ্যই উপরের লিংক থেকে গত পোষ্টটি পড়ে নিবেন।
কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করতে হয়?
Alexa Traffic Rank বৃদ্ধি করার জন্য সর্বপ্রথম আপনার ব্লগটিকে Alexa সাইটে সাবমিট করে Verify করে নিতে হবে। তাহলে আপনার ব্লগের সাথে Alexa এর একটি কানেশন তৈরি হবে। ফলে সহজে Alexa আপনার ব্লগের বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।

-

 কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করবেন?

  • প্রথমে Alexa.Com এ একটি ফ্রি Account তৈরি করে নিতে হবে।
  • একাউন্ট তৈরি করার জন্য নিচের চিত্রের ফরমটি Fill Up করুন।
কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের সকল তথ্য পুরন করার পর সবুজ কালারের Create an Account বাটনে ক্লিক করুন।
  • Create an Account বাটনে ক্লিক করার পর আপনার কাঙ্খিত ই-মেইল এড্রেসে একটি লিংক চলে যাবে। উক্ত লিংকটিতে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রেরমত আপনার একাউন্টের জন্য Password Setup করার অপশন দেখতে পাবেন।
কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের ন্যায় পাসওয়ার্ড সেটআপ করার পর নীল কালারের Submit Password বাটনে ক্লিক করলেই আপনার একটি ফ্রি Alexa Account তৈরি হয়ে যাবে।
  • তারপর Alexa Website এর নিচের দিক হতে Claim অপশনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি Alexa Claimলিংকটিতে ক্লিক করুন।
  • Alexa Claim লিংকটিতে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্রটিতে আপনার কাঙ্খিত ব্লগের Url টি দিয়ে নীল কালারের Continue বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্র হতে গোলাকার Method2 অপশনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্রে তীর চিহ্নিত Meta Tag (সম্পূর্ণ লাইন) টি কপি করুন।
  • তারপর Blogger Account এ লগইন করে আপনার কাঙ্খিত ব্লগটির Template > Edit HTML এ ক্লিক করুন।
  • এখন কীবোর্ড হতে Ctrl+F চেপে <head> অংশটি সার্চ করুন।
  • এরপর কপি করা Meta Tag টি টেমপ্লেট এর <head> ট্যাগের নিচে পেষ্ট করে Template Save করুন।
  • Template Save করার পর উপরের চিত্রের নীল কালারের Verify my ID বাটনে ক্লিক করলেই আপনার ব্লগটি Alexa-তে Submit হয়ে যাবে এবং নিচের চিত্রের ন্যায় একটি Success ম্যাসেজ দেখতে পাবেন।
কিভাবে Alexa-তে Blog Submit এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্রে দেখুন ব্লগ যুক্ত হওয়ার Success ম্যাসেজটি শো করছে। উপরের চিত্রের Success ম্যাসেজটি দেখতে পেলে বুঝতে পারবেন আপনার ব্লগটি সফলভাবে যুক্ত হয়েছে। অন্যথায় বুঝবেন আপনি কোথাও ভূল করেছেন।
সাহায্য জিজ্ঞাসাঃ একটি ব্লগ Alexa-তে Submit এবং Verify করার সকল ধাপ ক্রমান্বয়ে সবচাইতে সহজভাবে বর্ণনা করে দেখিয়েছে। এখানে আমরা কোন অংশই বাদ রাখিনি। আপনি যদি সবগুলি ধাপ আমাদের বর্ণনামতে অনুসরণ করেন, তাহলে আপনার ব্লগ Alexa-তে সাবমিট করতে কোন সমস্যা হবে না। তারপরও যদি কারো কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হয়, তাহলে আমাদের-কে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।




Many websites are available on the internet which provides very stylish blogger template at very low cost. If you purchase their template than that template will not contain any credit link. These websites also provide most of the free blogger template with Non-removable credit link. Means, what? If you’ll try to remove credit link from their template, then your blog will automatically redirect to their website (Homepage or a particular site). This is because they added some JavaScript into their free templates. In another hand, if you undo the changes and keep their original credit of template then it works perfectly.

Wednesday, November 22, 2017

কিভাবে সাবমিট করবেন আপনার ব্লগস্পটের ব্লগ সাইট বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে?

এসইও
বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। যাইহোক বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিভাবে আপনারা আপনাদের ব্লগস্পট সাইট সাবমিট করবেন বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন সমুহে।
কিভাবে সাবমিট করবেন আপনার ব্লগস্পটের ব্লগ সাইট সার্চ ইঞ্জিন Bing এ?
আপনার ব্লগস্পট সাইট সার্চ ইঞ্জিন Bing এ সাবমিট করার জন্য প্রথমে এখানে ক্লিক করুন। তারপরে যে পেজটি আসবে সেখানে আপনার সাইটের এড্রেসটা দিয়ে ক্যাপচা পুরণ করে Submit বাটনে ক্লিক করুন। তারপরে যে পেজটি আসবে সেখান থেকে GREAT!SIGN ME UP নামক বাটনে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করা না থাকলে রেজিস্ট্রেশন করে নিয়ে লগিন করুন। এবার খেয়াল করুন আপনার কাছে আবার সাইট ADD করতে বলছে, এখন আপনি কোন কিছু পরিবর্তন না করে ADD বাটনে ক্লিক করুন। এবার যে পেজটি এসেছে সেখান থেকে  Option 2 এর অধীনে meta name এর লাইনটি লেখা আছে সেটা কপি করুন।বুঝতে না পারলে নিচের ছবিটি দেখুন
blogspot তারপরে আপনার ব্লগস্পট সাইটের ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করুন। দেখুন ডান পাশে টেমপ্লেট নামক একটি বাটন আছে সেখানে ক্লিক করুন, তারপরে ডান পাশে দেখুন লেখা আছে HTML সম্পাদনা সেখানে ক্লিক করুন। বুঝতে সমস্যা হলে নিচের ছবিটি দেখে নিন
blogspot image HTML সম্পাদনা বাটনে ক্লিক করার পরে যে পেজটি আসবে সেখানে  Head TAG এর ভিতরে আপনি যে কোড টুকু BING থেকে কপি করেছিলেন তা পেষ্ট করুন। না বুঝতে পারলে নিচের ইমেজটি দেখুন
Blogspot html editor
পেষ্ট করা হয়ে গেলে আবার BING ঐ পেজে যেখান থেকে ঐ কোডটুকু কপি করেছিলেন সেখানে ফিরে যান, দেখুন নিচের দিকে Verify নামক একটি বাটন আছে সেখানে ক্লিক করে আপনার সাইটটি ভেরিফাই করে নিন।
আজ এই পর্যন্ত আবার দেখা হবে আগামি পোষ্টে এই আশা বাদ ব্যক্ত করে বিদায়। আল্লাহ হাফেজ।
বিঃদ্রঃ এই নিয়ম অনুসরন করে অন্যান্য ব্লগ সাইট গুলোতেও কাজ করতে পারবেন।
পোষ্টটি প্রথম প্রকাশিত এখানে ।
সোজন্যে ঃ- টেকটুইট২৪ ডট কম ।
ফেসবুকে আমি ।